জামালপুরে চাঞ্চল্যকর দুই রাস্তার ইট চুরির অভিযোগে মামলা দায়ের ॥ জেল হাজতে ৪ জন

এম.এ.রফিক
জামালপুর সদর উপজেলার দিগপাইত ইউনিয়নে প্রায় দুই কিলোমিটার সরকারি ইটের সোলিং রাস্তা থেকে ইট চুরির অভিযোগে ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনের বিরুদ্ধে থানায় এজাহার দায়ের করেন দিগপাইত ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামান। এই মামলায় ২৩ জুলাই আদালতে জামিন আবেদন করা হলে চার আসামির আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, দিগপাইত ইউনিয়নের মেঘা দেওয়ানীর মোড় থেকে আয়নার মোড় পর্যন্ত এবং ময়নার মোড় থেকে বয়লা খালব্রীজ হয়ে গজারি আটা ভাঙুনি ঘাট পর্যন্ত সরকারি ইটের সোলিং রাস্তার প্রায় ৮ ফুট প্রস্থের ১ কিলোমিটার করে মোট ২ কিলোমিটার রাস্তার ইট চুরি হয়ে যায়। চুরি হওয়া এই ইটগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ২৮,০০,০০০ টাকা। এ বিষয়ে দিগপাইত ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে জামালপুর সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছি। আমি আমার দায়িত্ব পালন করেছি। অভিযোগে ১০ জনকে আসামী করা হয় এবং অজ্ঞাত ৪-৫ জন উল্লেখ করা হয়। আসামীরা হলেন, মান্নান (৫০) পিতা-আমেছ আলী, বিপুল (২২) পিতা-আঃ মান্নান, মোমিন (১৭) পিতা-মৃত জহিরুল ইসলাম, দুলাল উদ্দিন (৫০) পিতা-মৃত জয়নার উদ্দিন, শতী (৬৫) পিতা-মৃত লাল মাহমুদ, ছোরহান (১৬) পিতা-মৃত আঃ কাদের, সাইফুল ইসলাম (২৫) পিতা-মৃত ফলজুল হক সজিব (২০) পিতা-মেহেজ আলী, ফজলুল হক (৩০) পিতা-মোঃ তাহের আলী, শাওন (১৭) পিতা-আঃ জব্বার। সবার বাড়ি জামালপুর সদর উপজেলার দিগপাইত ইউনিয়নের হবদেশ পশ্চিমপাড়া ও পূর্বপাড়া এলাকায়। ২৩ জুলাই ২০২৬ তারিখে এই মামলার আসামিরা জামালপুর চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত মোঃ ফজলুল হক, মোঃ বিপুল মিয়া, মোঃ সাইফুল ইসলাম ও সজীব মিয়ার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে (জেলহাজতে) প্রেরণের নির্দেশ দেন।