ঝিনাইগাতী সংবাদদাতা
শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার জারুলতলা নিবাসী জুলহাসের ছেলে ধান ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেনের নির্মম হত্যাকান্ডের রহস্যজনক জট পুলিশের সহযোগিতায় প্রকাশ পাচ্ছে। জানা গেছে গত ৪ই আগস্ট বিল্লাল হোসেন (৪৫) কে আত্বাীয় স্বজনরা খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে থানায় একটি অভিযোগ করেন। পুলিশ তৎপর হয়ে আত্বীয় স্বজনের সহযোগিতায় খোঁজাখুজি অব্যাহত থাকে। অবশেষে ১২ই আগস্ট বুধবার সকালে গজারিকুড়া খ্রিস্টান পল্লীর নিকটে নির্জন স্থানে মাটিতে পুঁতে রাখা বিল্লালের অর্ধগলিত লাশ উদ্বার করা হয়। লাশ উদ্বারের খবর পেয়ে শেরপুর পুলিশ সুপার সহ ঝিনাইগাতী থানার পুলিশ ঘটনা স্থলে পৌছে। আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে ১৯জন উপজাতিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্যে পুলিশ থানায় নিয়ে আসে। জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকান্ডের জট খুলতে শুরু করে যারা সম্পৃক্ত তাদেরকে রেখে নিরপরাধ’দেরকে ছেড়ে দেয়া হয়। এ ব্যাপারে নিহত বিল্লালের ভাই আলামিন বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার আগ মুহুর্তে লাশ ময়না তদন্ত শেষে তাকে দাফন করা হয়। লাশ দাফনের আগে সকালে উপজাতীদের পক্ষ থেকে বাড়িঘর লুটতরাজ, গরু, ছাগল, নগদ টাকা পয়শা, স্বর্ণের গহনা সহ ডাকাতির অভিযোগ আনা হয় নিহতের পরিবার ও অন্যান্য বাঙালীদের বিরুদ্ধে। এর প্রেক্ষিতে থানা পুলিশ ও খ্্িরস্টান ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা ও স্থানীয় উপজাতীদের নেতৃবৃন্দরা ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেন। এ দিকে নিহত ও বাঙালীদের পক্ষ থেকে উপজাতীদের মিথ্যা অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেন হত্যাকান্ড অন্যদিকে ধাপিত করার জন্যে তারা পায়তারা করছে। পুশিশ সূত্রে জানা গেছে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ৭জন পুরুষ ও একজন মহিলা উপজাতিকে আটক করে শেরপুর কোর্টে সোপর্দ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে শেরপুর পুলিশ সুপার এ,কে,এম জহুরুল ইসলাম বলেন এই হত্যাকোন্ডের সাথে যারা জড়িত তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে তদন্ত চলছে। শান্তির পরিবেশ রক্ষায় পুলিশ কাজ করছেন।
ঝিনাইগাতীতে উপজাতি কর্তৃক বিল্লাল হত্যাকান্ডের জট খুলছে
