ঝিনাইগাতী সংবাদদাতা
শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলায় এবার বোরো ফসলের ১৪হাজার ৬শ হেক্টর জমিতে সরকারি হিসাব মতে বোরো ফসলে আবাদ হয়েছে। ইতি মধ্যেই নিন্ম অঞ্চলে বোরো ফসলের ধানকাটা শুরু হয়েছে। উঁচু অঞ্চলে আধা পাকা ধানের দানায় বিস্তির্ণ মাঠে ফসলের সৌন্দর্য দেখা দিয়েছে। সবুজঘেরা পাকাধানের মাঠ কৃষকের মনে দোলা দিচ্ছে । প্রাকৃতিক আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে কৃষকরা বোরো ফসলের ধান আনন্দ উল্লাস করে ঘরে তুলার স্বপ্ন দেখছেন। সম্প্রতি উপজেলার ২৬ ধানের মোড়কে নকল বীজ বাজার থেকে ক্রয় করে যে সমস্ত কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর তদন্ত কাজ শুরু করেছেন। উপজেলার ০.৩ পার্সেন্ট কৃষক এ বীজ বপন করেছেন এতে ধানের দানা আসে নাই। ফলে কৃষকের তীর মেরেছে বীজ বিক্রেতা ডিলারদের দিকে। তারা আরো জানান নতুন ধানের বাজার মুল্যর চেয়ে ধান উৎপাদনের খরচ বেশী ধানের বাজার পরিবর্তন না হলে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্থ হবে এবং লাভের আশায় পরিশ্রম বৃথা যাবে বলে জানান অনেক কৃষক। ডিলারগণ বলছেন সময়মতো বীজ বপন না করা ও পরিচর্যার অভাবে এই ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছেন কিছু কৃষক। অপরদিকে এই ধানের বীজ আরো যে সমস্ত কৃষক বপন করেছেন তাদের কোন সমস্য হয়নি তারা ধান কর্তন করছেন। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার ফরহাদ হোসেন জানান উপজেলার বোরো ফসলের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে তা অর্জিত হয়ে আরো বেশী ফসলের আশা করা হচ্ছে। নকল বীজে যে পরিমান কৃষকের ক্ষতি সাধিত হয়েছে তাতে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কোন প্রভাব পড়বে না। উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে এখন ধানকাটা পুরোদমে শুরু হয়নি। আবহাওয়া অনুকুলে ও ধানের বাজার ভালো থাকলে কৃষকরা লাভবান হবেন। নকল বীজের ব্যাপারে কৃষিসম্প্রাসারণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে তদন্ত চলছে বলে অবহিত করেন এই কর্মকর্তা।
ঝিনাইগাতীতে বোরো ফসলের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে
