দেওয়ানগঞ্জে বাহাদুরাবাদ-বালাসী ঘাট সেতুর দাবিতে বিশাল মানববন্ধন

খাদেমুল ইসলাম
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে বাহাদুরাবাদ-বালাসী ঘাটে দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবিতে এক বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৯৭৮ সালে আধুনিক বাংলাদেশের রুপকার শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এই রুটে ক্লোজারের কাজ শুরু করে যে স্বপ্নের বীজ বুনেছিলেন এখন দুই পাড়ের সর্বস্তরের মানুষ এক কাতারে দাঁড়িয়ে সেই স্বপ্নকে বাস্তবায়নের দাবি তুলেছে। আগামী ৪ আগস্ট ২০২৬ দুই পাড়ের সেতু বাস্তবায়ন কমিটি, জনপ্রতিনিধি, বণিক সমিতি ও সুধীজনদের নিয়ে একটি ঐতিহাসিক যৌথ মতবিনিময় সভা আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে। এ সেতু প্রকল্প শুধু একটি যোগাযোগের জন্য নয়, এটি দুই পাড়ের কয়েকটি জেলার কোটি কোটি মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির সনদও বটে। এই বহুমুখী অর্থনৈতিক সম্ভাবনার কারণে আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা ও বিনিয়োগকারী সংস্থাসমূহ এই প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে উদ্বুদ্ধ হবে বলে নেতৃবৃন্দ এ সাংবাদিককে জানিয়েছেন। তারা আরও জানান, দ্বিতীয় যমুনা সেতু জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ বাহাদুরাবাদ ঘাট ও গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলার তিস্তামুখ ঘাট রুটে স্থাপিত হলে পূর্ব ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের অন্তত ১৫-২০টি জেলার মানুষের যোগাযোগের ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে গণ্য করা হবে। এতে করে দুই পাড়ের মানুষের স্বল্প সময়ে অল্প খরচে সহজসাধ্যে ঢাকা-ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম-গাইবান্ধা-রংপুর-দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটসহ বহু দূরবর্তী জায়গায় যাতায়াত ও ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারবে। ২৬ জুন শুক্রবার বিকেলে বাহাদুরাবাদ ঘাট-পাড়ে দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবিতে বিশাল মানববন্ধনে সাইফুল ইসলাম ফুলুর সঞ্চালনায় নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, দেওয়ানগঞ্জ পৌরসভার সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র আব্দুস সালাম খোকা, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ হাবিব পলিন, দেওয়ানগঞ্জ বাজার মসজিদের খতিব মাওলানা আকরামুজ্জামান, দেওয়ানগঞ্জ প্রেসক্লাবের কয়েকবারের সাবেক সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক খাদেমুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম বাদল, রফিকুল ইসলাম ও আবু হানিফ-সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। বক্তাগণ বাহাদুরাবাদ ঘাটে সেতু বাস্তবায়নে উন্নয়নের রূপকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং জামালপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।