শেরপুর প্রতিনিধি
শেরপুর জেলার সদর উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের ফকিরপাড়া গ্রামে আঃ লতিফের মাদরাসায় পড়ুয়া ২য় শ্রেণীর শিক্ষার্থী মোঃ আব্দুল আলী (৭) কে গত ২৩জুন মঙ্গলবার রাত ৯ টার দিকে মোঃ এরশাদ আলীর ছেলে আবু বক্কর সিদ্দিক (২০) নামে এক যুবক জোরপূর্বক বলাৎকার করে রক্তাক্ত জখম করার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। পরে ওই ভিকটিমকে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এঘটনায় শিশুটির বাবা আব্দুল লতিফ ৫ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করার পর থেকে আসামীরা বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। পরে নিরাপত্তাহীন আব্দুল লতিফ ২৭ জুন শনিবার দুপুরে তার গ্রামের বাড়ীতে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
এ সময় তিনি সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, তার সহোদর বোনের ছেলে একই বাড়িতে আবু বক্কর সিদ্দিক তার মাদরাসা পড়ুয়া ছেলে মোঃ আব্দুল আলীকে ঘটনার দিন রাতে মোবাইল ফোনে খেলা দেখানো এবং চকলেট, চিপস দেয়ার প্রলোভন দিয়ে আবু বকর তার শয়ন কক্ষে নিয়ে গিয়ে মুখ চেপে ধরে ওই শিশুকে জোরপূর্বক বলাৎকার করে। এসময় রক্তাক্ত ওই শিশু চিৎকার দিলে তার বাবা মা আবু বক্করের শয়নকক্ষে গেলে সে পালিয়ে যায়। পরে আব্দুল লতিফ গত ২৫জুন বৃহস্পতিবার মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিককে ১ নং আসামী এবং হুমকীদাতা অপরাপর আবুল কালামের ছেলে মোঃ নাজমুল (২৪), কালামের স্ত্রী মোছাঃ নাছিমা বেগম (৪৫) বাবুলের স্ত্রী নার্গিস বেগম(৩৩), মৃত ইস্তুল্লার ছেলে আবুল কালামকে আসামী করে শেরপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। এঘটনার পর থেকেই আসামীরা বাদী আব্দুল লতিফকে মামলা প্রত্যাহারসহ প্রাণ নাশের হুমকি দিচ্ছে বলে তিনি সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই অভিযোগ করেছেন। তিনি সাংবাদিকদের কান্না জড়িত কণ্ঠে আরো বলেন মামলার ১নং আসামী আবু বক্কর সিদ্দিকসহ অপরাপর আসামীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবী জানান। এদিকে বলাৎকারের শিকার শিশুটি এখনো শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। শিশুটির বাবা আব্দুল লতিফ একদিকে তার শিশু ছেলের এমন অবস্থা অপরদিকে আসামীদের অব্যাহত প্রাণ নাশের হুমকিতে ভীত সন্ত্রস্থ হয়ে পড়েছেন। এব্যাপারে তিনি পুলিশ সুপার সহ সংশ্লিষ্ট আইন শৃংখলা বাহিনীর কঠোর হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন।
শেরপুরের পাকুড়িয়ায় ৭বছরের শিশুকে বলাৎকারের ঘটনায় মামলা দায়ের : দ্রুত আসামীদের গ্রেফতার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন
