ইসলামপুরে গোরস্থানের নামে জমি দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

লিয়াকত হোসাইন লায়ন
জামালপুরের ইসলামপুরে গোরস্থানের নামে জমি দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভূক্তভোগী পরিবার। গত শুক্রবার ২৪এপ্রিল দুপরে ইসলামপুর পৌর এলাকার টংগের আগলা গ্রামের ভুক্তভোগী শওকত আলীর নিজ বাড়িতে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।সংবাদ সম্মেলনে ভূক্তভোগী পরিবারের পক্ষে শওকত আলীর কন্যা মেরী আক্তার বলেন- টংগের আগলা মৌজার উত্তর পাড়া রেল লাইন সংলগ্ন ৩৬ শতাংশ জমি আমরা সিএস মালিকের ওয়ারিশদের নিকট বৈধ সাফ কবলা দলিলের মাধ্যমে মালিক হই। আর,এস এবং বি.আর.এস জরিপে ভুলবশত জমিটি আমাদের, ৩ চাচা নুর ইসলাম চুন্নু,খাইরুল ইসলাম ও মোহাম্মদ আলীর নামে রেকর্ড হয়। চাচা মোহাম্মদ আলী দুই ভাইয়ের নিকট এওয়াজ মূলে তার স্ত্রীকে বিভিন্ন জমির সাথে আমাদের ৩৬ শতাংশ জমি দলিল করে খাজনা খারিজ করে দেন। ৮ বছর পূর্বে রেকর্ড সংশোধনের জন্য বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করি। মামলা চলাকালীন সময়ে ওই চাচা ভুল বুঝতে পেরে তার দলিলের খারিজের মধ্য থেকে ৩৬ শতাংশ থেকে ২৪ শতাংশ জমি আমাদের সংশোধনী রেজিস্ট্রি করে দেন। মামলাটি চলমান থাকা অবস্থায় অন্য চাচারা ৩৬ শতাংশের মধ্যে ২৪ শতাংশ জমি আঃ মজিদ ও রহমতউল্লাদের নিকট চড়া মূল্যে বিক্রি করে দেন। জানতে পেরে আমরা ক্রেতাদের মামলায় অর্š‘ভ’ক্ত করলে আদালত তাদের বিরুদ্ধে নোটিশ প্রদান করেন। তারা লিখিত জবাব দিলেও জিদের বশিভ’ত হয়ে আলমাস রোকন,জিয়াউল হক,ওয়াজেদ আলী,রহমতউল্লাহ সহ অন্যান্যরা এলাকা থেকে টাকা তুলে ওই জায়গা গুরুস্থান হিসেবে ব্যবহার শুরু করে। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে, আদালত একতরফাভাবে আমাদের পক্ষে ডিগ্রি প্রদান করেন। ডিগ্রি পাওয়ার পরেও বিবাদীপক্ষ জোরপূর্বক আমাদের জমি দখল করে নিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে আমাদের চাষকৃত কলার বাগান নষ্ট করে জমিটিকে গোরস্থান দিয়ে ইতিমধ্য একাধিক কবরও দেওয়া হয়। থানায় বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য উভয় পক্ষকে ডাকা হলেও, কোনো সমাধান হয়নি। নিজের জমিতে গেলে আমাদেরকে হত্যার হুমকি দেওয়ায় আমরা ভূমি অপরাধ আইনে মামলা দায়ের করেছি। তারা আদালতে জমির দাবি না থাকার কথা বললেও বাস্তবে দখল না ছেড়ে প্রতিনিয়ত হুমকি দিচ্ছেন। নিরাপত্তা হীনতায় দিনাতিপাত করা ওই পরিবার পৈত্রিক সম্পত্তি পূনরুদ্ধার এবং জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলনে মাধ্যমে দ্রুত নিরসনে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ সময় ভুক্তভোগী পরিবাররে মাতা মনোয়ারা বেগম,রাসেদা বেগম, ভাই বেলাল উদ্দিন,হেলাল উদ্দিন,সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত জিয়াউল হক সহ অন্যরা বলেন- আমরা তার চাচাদের নিকট ২৪ শতাংশ ক্রয় করে গুরুস্থান দিয়েছি। তারা ১২ শতাংশ জমি পাবেন। বিষয়টি সমাধানে আমরাও আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি।