নিজস্ব সংবাদদাতা
দুই বছর আগে আমি জামালপুর এপি থনে (থেকে) তিনডে পাঠি ছাগল পাইছিলাম। ৫০ হাজার ট্যাহার ছাগল বেইচে এডা বহন গরু কিনছি।এহন আমার আরও আটটা ছাগল আছে। ওহান থনে আমি আমার পরসি গরীব বেঠি কল্পনারে এডা পাঠি দান করমু আইজ। এপির দানে আমার উন্নতি অইছে আমার দানে আরেকজুনের উন্নতি অবো এইডেই শান্তি। দানের মদ্যেও ম্যালা আনন্দ আছে বুজবার পাইতাছি। এমন সরল এবং অকৃত্তিম অভিমত ব্যক্ত করেছেন জামালপুর সদর উপজেলার হতদরিদ্র পরিবারের সদস্য লেবুজা বেগম। গত মঙ্গলবার সদর উপজেলার শরিফপুর উচ্চবিদ্যালয়ে জামালপুর এরিয়া প্রোগ্রাম আয়োজিত দানের আনন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে ২৫ জন ক্ষুদ্রদাতা অন্যকে দান করার মধ্যদিয়ে আনন্দ যে উপভোগ করা যায় তার প্রকাশ ঘটিয়েছেন সবাই। এদিন শরিফ ইউনিয়নে এপির কর্মএলাকায় ২৫ জন ক্ষুদ্রদাতা অন্য হতদরিদ্র ২৫ টি পরিবারের মাঝে ৮টি ছাগল, ৯টি হাঁস এবং ৪২টি মুরগী দান করেন। এবছর দেড় শতাধীক পরিবার একই সংখ্যক পরিবারের মাঝে তাদের ঘূর্নিয়মান সম্পদ থেকে একটা অংশ দান করবে বলে জানা গেছে। বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ড ভিশনের ডেপুটি ডাইরেক্টর রাজু উইলিয়াম রোজারিও, উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম, ওয়ার্ল্ড ভিশন জামালপুর এপির এরিয়া ম্যানেজার বিমল জেমস কস্তা, উন্নয়ন সংঘ জামালপুর এপির ম্যানেজার মিনারা পারভীন, সিডিও আফরোজা বেগম প্রমুখ। সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন শরিফ উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান বিন্দু। উল্লেখ, ওয়ার্ল্ড ভিশন ও উন্নয়ন সংঘের মাধ্যমে বাস্তবায়নাধীন জামালপুর এরিয়া প্রোগ্রামের আওতায় ২০২৪ ও ২০২৫ সালে তিন শ জন হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে তিনটি করে ছাগল বিতরণ করা হয়।
দানেও আনন্দ আছে জামালপুরে ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানে ক্ষুদ্র দাতাদের অভিমত
