সেলিম মাহমুদ
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জামালপুর সদর উপজেলার ৮ নং বাঁশচড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ গাজীউর রহমান প্রত্যক্ষ ভোটে আবারও নির্বাচিত হয়ে বাঁশচড়া ইউনিয়নকে জনগণের নিজের মনের মতো করে সাজাতে চান। তথ্যসূত্রে জানা যায়, তিনি ২০১১ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত বাঁশচড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন অত্যন্ত সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সাথে। চেয়ারম্যান থাকাকালীন সময়ে এলাকায় যুগান্তকারী উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। তাঁর নামে দুর্নীতির কোনো অভিযোগ নেই, বরং তাঁর কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ এলাকার জনগণ তাঁকে আবারও চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায়। তৎকালীন জামালপুর জেলা বিআরডিবি-এর চেয়ারম্যান, বটতলা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি, মধ্য বটতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি, মধ্য বটতলা সাদুল্লাহ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জমিদাতা ও দাতা সদস্য এবং সাদুল্লাহ ঈদগাহ মাঠের ৩২ শতাংশ জমি দান করে তিনি মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এছাড়াও তিনি বটতলা পালোয়ান বাড়ি জামে মসজিদের সাবেক সভাপতি ও সাদুল্লাহ সমাজকল্যাণ সংঘের সভাপতি হিসেবে বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। সবার সেবাই যাঁর ধর্ম ও কর্ম, তিনি বাঁশচড়া ইউনিয়নের মানুষের আস্থার প্রতীক, নয়নের মণি, জনপ্রিয় ও জননন্দিত জননেতা মোহাম্মদ গাজীউর রহমান (গাজী চেয়ারম্যান)। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, গোদাশিমলা উচ্চ বিদ্যালয়ের শরীরচর্চা শিক্ষক, আলোকিত মানুষ গড়ার কারিগর, মানবতার ফেরিওয়ালা খ্যাত জননেতা গাজীউর রহমান চেয়ারম্যান থাকাকালীন বটতলা মাসুদের দোকান থেকে গোবিন্দপুর পর্যন্ত নতুন রাস্তা, জামিরা ব্রিজসহ নতুন রাস্তা, কাটাখালি ব্রিজ নির্মাণ, বাঁশচড়া বাজারের ছাউনি নির্মাণ, পাবলিক টয়লেট স্থাপন, বাঁশচড়া বাজারের গরুর হাটের শেড বা রওশন ঘর স্থাপনসহ নানা উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। এছাড়া এলাকায় কমপক্ষে ৭০ থেকে ৮০টি গভীর নলকূপ স্থাপন, ২০ থেকে ৩০টি তারাকল স্থাপন, ৭০ থেকে ৮০টি পাকা টয়লেট বিনামূল্যে স্থাপন, ঈদগাহ মাঠের বাউন্ডারি নির্মাণ এবং বটতলা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের গেট ও দেয়াল নির্মাণসহ যুগান্তকারী অবদান রেখে তিনি স্থান করে নিয়েছেন গণমানুষের হৃদয়ে। তাছাড়াও মাদকবিরোধী পদক্ষেপ, বাল্যবিয়ে ও যৌতুক প্রতিরোধ, বৃক্ষরোপণ ও চারা গাছ বিতরণ, বিনামূল্যে চক্ষু শিবির, ক্রীড়া সামগ্রী উপহার, শীতবস্ত্র বিতরণ, মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহযোগীতা এবং গরিব, দুঃখী ও নিম্ন আয়ের মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে তিনি অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। তাঁর সম্পর্কে জানতে চাইলে দলিল লেখক আবুল কালাম আজাদ, বটতলা বাজারের ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী, পোশাক ব্যবসায়ী মোঃ সুজন আলীসহ এলাকার স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ বলেন, “গাজী চেয়ারম্যান একজন সৎ, যোগ্য, নিষ্ঠাবান, ন্যায়পরায়ণ, সদা-হাস্যোজ্জ্বল, পরোপকারী ও আদর্শবান ব্যক্তি। আমরা আগামী নির্বাচনে তাঁকে চেয়ারম্যান হিসেবে বিজয়ী করে ঘরে ফিরবো, ইনশাআল্লাহ। তাঁর মতো মহান নেতা নির্বাচিত হলে বাঁশচড়া ইউনিয়ন হবে একটি মডেল ইউনিয়ন, সমাজে প্রতিষ্ঠিত হবে ন্যায় বিচার ও সুশাসন, জনগণ খুঁজে পাবে আস্থার এক নতুন ঠিকানা। ইউনিয়ন পরিষদের সকল বরাদ্দ ন্যায্যতার ভিত্তিতে উপযুক্ত প্রাপ্তযোগ্য ব্যক্তিবর্গের মধ্যে সমবন্টন করা হবে বলে আমাদের বিশ্বাস। “মোঃ গাজীউর রহমান গাজী বলেন, “যতদিন বাঁচবো বাঁশচড়া ইউনিয়নবাসীর খেদমত করে যেতে চাই। একটি মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত স্বনির্ভর মডেল ইউনিয়ন গড়তে তোলাই আমার দীর্ঘদিনের আকাঙ্খা। ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত, বাল্যবিবাহমুক্ত, নারী ও শিশু নির্যাতনমুক্ত একটি হাসিখুশি, সুখী সমৃদ্ধ সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলাই আমার স্বপ্ন। এলাকার প্রতিটি রাস্তা-ঘাট, হাট-বাজার, মসজদি, মন্দির, এতিমখানা, ঈদগাহ্ মাঠ, গোরস্থানসহ সকল প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি একটি হয়রানিমুক্ত, নির্ভরযোগ্য, গ্রহণযোগ্য, মর্যাদাশীল, জনবান্ধব ইউনিয়ন গড়ে তোলাই আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।”
আবারও চেয়ারম্যান হয়ে জনগণের সেবা করে স্বর্ণপদক জিততে চাই -মোঃ গাজীউর রহমান, (স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত সাবেক চেয়ারম্যান)
