ডলারের দাম আরও কমেছে

মার্কিন ডলারের দর গতকাল শুক্রবার আরও কমেছে। বিনিয়োগকারীরা যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের বন্ড পুনঃক্রয় কর্মসূচিকে সাময়িক সমাধান হিসেবে দেখছেন। একই সঙ্গে সরকারি ঋণ ও ঘাটতি মোকাবিলায় সরকারের ক্রমবর্ধমান হস্তক্ষেপ নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার মার্কিন ট্রেজারি জানিয়েছিল, আগামী প্রান্তিকে দীর্ঘমেয়াদি ট্রেজারি বন্ড পুনঃক্রয়ের পরিমাণ দ্বিগুণ করা হবে। বন্ডের সুদের হার বা ইয়িল্ড দ্রুত বেড়ে যাওয়ার প্রবণতা ঠেকাতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর একদিন পর ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট বলেন, সরকার প্রয়োজনে ট্রেজারি বন্ড পুনঃক্রয়ের পরিমাণ আরও বাড়াতে পারে। এ ছাড়া বেসেন্ট জানান, হোয়াইট হাউজের বাজেট পরিচালক রাসেল ভটের সঙ্গে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশনায় নতুন করে সরকারি ব্যয় ও আর্থিক ঘাটতি কমানোর উদ্যোগ নিতে যাচ্ছেন। তবে এসব পদক্ষেপেও মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের বিক্রি কমেনি। বরং যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক পরিস্থিতির অবনতি এবং দেশটির সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ আরও বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে ডলারের ওপরও। গতকাল শুক্রবার ছয়টি প্রধান মুদ্রার বিপরীতে ডলারের শক্তিমাপক সূচক ৯৮.৭৬ পয়েন্টে নেমে তিন মাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ের কাছাকাছি অবস্থান করে। ডলারের বিপরীতে ইউরোর দাম বেড়ে প্রায় তিন মাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। ইউরোর দর ছিল ১.১৬৯৩ ডলার, যা চলতি সপ্তাহে প্রায় ১ শতাংশ বেড়েছে। ব্রিটিশ পাউন্ডও ছয় মাসের সর্বোচ্চ দরের কাছাকাছি রয়েছে। গতকাল শুক্রবার পাউন্ডের দাম ০.০৮ শতাংশ বেড়ে ১.৩৬৪৩ ডলারে উঠেছে। চলতি সপ্তাহে এর দাম বেড়েছে প্রায় ০.৮ শতাংশ।
সূত্র: রয়টার্স