শামীম আলম
জামালপুর সরকারী খাস জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করায় পাইপ ভাঙচুর, ২টি ড্রেজার এবং ৩ টি সেলোমেশিন স্থানীয় মেম্বারের কাছে জিম্মায় ড্রেজার ব্যবসায়ী মুনছুর আলীকে ১ মাসের জেল ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এই ঘটনায় ঐ রৌমারি বিলের আশেপাশে যত কৃষক আছে তাদের আবাদি জমি রক্ষা পাওয়ায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিন্নাতুল আরা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট শাহীন কাওছার কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
জামালপুর জেলাধীন মেলান্দহ উপজেলা অন্তগত ঝাউগড়া ইউপি শেখসাদী রৌমারী বিলে। সোমবার (০৫অক্টোবর) বিকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রৌমারী বিলে অভিযান পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমান আদালত। অভিযানকালে নেতৃত্ব দেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট শাহীন কাওছার। তাঁর নেতৃত্বে ড্রেজার ব্যবসায়ী মুনছুর আলীকে হাতেনাতে আটক করা হয় ১ মাসের জেল করা হয়। ড্রেজার ব্যবসায়ী মুনছুর আলী(২৮), পিতা অজর আলী,দক্ষিণ ঝাউগড়ার বাসিন্দা। সরকারী খাস জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করায় ড্রেজারের পাইপ ভাঙচুর,৩টি ড্রেজার এবং ২ টি সেলোমেশিন স্থানীয় ১০নং ঝাউগড়া ইউপি,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের মেম্বার আজাহার আলী ও দুলুদ এর কাছে ৩টি ড্রেজার এবং ২ টি সেলোমেশিন জিম্মায় রাখা হয়েছে।
এলাকাবাসী বলেন, ঝাউগড়া বিলের আশেপাশে শত শত কৃষকের আবাদি জমি নষ্ট করেছে এই ভূমিদস্যুর দল। কৃষকরা আবাদী জমি নিয়ে অনেক বিপদে রয়েছে । কৃষকদের জিম্মি করে লাভবান হচ্ছে এই ভূমি দস্যুর দল। কৃষকরা মুখ খুললেই তাদের ভয় দেখায় ভূমিদস্যুরা। এভাবে ভূমিদস্যুরা দিন রাত ২৪ ঘন্টা ড্রেজার দিয়ে মাটি তুলে অন্যত্রে বিক্রি করে লাভবান হচ্ছে।
এই বিষয়ে ১০নং ঝাউগড়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা কে অভিযোগ দিলে তিনি কোন ব্যবস্থা নেননি। মেলান্দহ থানার সহকারী কমিশনার ভূমি (এসিল্যান্ডে)কে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগ করা হলে,তিনি ফোন রিসিভ করেনি।
গতকাল সকালে এ বিষয়ে মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিন্নাতুল আরা (ইউএনও)কে সাংবাদিক শামীম আলম ও সাংবাদিক নজরুল অবৈধ ড্রেজার দিয়ে সরকারি খাস জমি থেকে মাটি উত্তোলন করছে এ বিষয়ে অবহিত করলে তিনি যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। এলাকাবাসী উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিন্নাতুল আরা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট শাহীন কাওছার স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট শাহীন কাওছার আরোও বলেন, এ বিষয়ে মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী অফিসার( ইউএনও)কে অবগত করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন থেকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরবর্তীতে আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিন্নাতুল আরা শত শত কৃষকের হাসি ফুটালেন
