দুরমুঠ ইউনিয়নবাসীর মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং একটি স্বনির্ভর, মর্যাদাশীল, যুগোপযোগী ও মডেল ইউনিয়ন গড়ে তোলাই আমার স্বপ্ন -সাবেক চেয়ারম্যান এ.কে.এম বদিউজ্জামান খান (বাদল)

সেলিম মাহমুদ
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলাধীন ১নং দুরমুঠ ইউনিয়নে হেভিওয়েট চেয়ারম্যান প্রার্থী, মেলান্দহ উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি এবং অত্র ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান, জনদরদী, গরিবের বন্ধু, মেহনতি মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতীক, বঞ্চিত ও শোষিত মানুষের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সদা সোচ্চার জনাব এ.কে.এম বদিউজ্জামান খান বাদল আবারো চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়ে জনকল্যাণে কাজ করে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তথ্য সূত্রে জানা যায়, তিনি জামালপুর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক এবং ১৯৮১ সালে অত্র কলেজের এজিএস পদে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন এবং ঘটনাক্রমে নির্বাচনটি স্থগিত ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে জামালপুর জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন এবং ছাত্রদলকে সুসংগঠিত করেন। তিনি ২০০৩ থেকে ২০১১ পর্যন্ত দুরমুঠ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
তার সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে দুরমুঠ বাজারের পথচারী সাজু বলেন, চেয়ারম্যান থাকাকালীন সময়ে তিনি এলাকায় দৃষ্টান্তমূলক উন্নয়ন সাধন করেছেন। ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি বরাদ্দ ন্যায্যতার ভিত্তিতে বণ্টন হয়েছে। অন্যায়কে তিনি কখনো প্রশ্রয় দেননি, ছিল না কোনো জুলুম-নির্যাতন, প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ন্যায়বিচার ও সুশাসন। ইউনিয়নের কোনো মানুষ মিথ্যা বা হয়রানিমূলক মামলার শিকার হয়নি। ইউনিয়নে সুখ-শান্তি ছিল, অপরাধপ্রবণতা তুলনামূলক অত্যন্ত কম ছিল। তিনি সবসময় চেয়েছেন জনগণের কল্যাণ। সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাঁর কাছে সহজেই যেতে পারত, জনসেবার দ্বার তাঁর কাছে সবসময় উন্মুক্ত থাকত।
মোঃ শাহ আলম বলেন,“বাদল ভাই একজন সৎ, আদর্শবান, নিষ্ঠাবান ও জনপ্রিয় চেয়ারম্যান। তাঁর মতো মানুষ সমাজে বিরল। তিনি অত্যন্ত সহজ-সরল ও সাদামাটা জীবনযাপন করেন। তাঁর মতো লোক আবারো চেয়ারম্যান হলে দুরমুঠ ইউনিয়নের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হবে চোখে পড়ার মতো। দুরমুঠ ইউনিয়নের চিত্র পাল্টে যাবে সেইসাথে জনগণ খুঁজে পাবে আস্থার এক নতুন ঠিকানা। সমাজে প্রতিষ্ঠিত হবে ন্যায়বিচার ও সুশাসন, প্রতিষ্ঠিত হবে গণমানুষের সকল অধিকার।”
যতীন্দ্রনাথ বলেন, “দুরমুঠ ইউনিয়নের এই প্রাণপ্রিয় নেতা ইতিমধ্যে গণমানুষের নেতা হিসেবে নিজেকে অধিষ্ঠিত করেছেন। তাকে এলাকার জনগণ আবারো চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায়। জনগণের বিশ্বাস, তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে বিভিন্ন সংকট মোকাবিলা করে দুরমুঠ ইউনিয়ন একটি সুখী, সমৃদ্ধ, হাসিখুশি ও মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে উঠবে বলে আমাদের বিশ^াস।”
এ.কে.এম বদিউজ্জামান বাদল বলেন, “মাদক, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, বাল্যবিবাহ, নারী ও শিশু নির্যাতনমুক্ত সমৃদ্ধশালী সমাজ গঠন করাই আমার লক্ষ্য। রাস্তাঘাট, হাটবাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, মসজিদ, মন্দির, ঈদগাহ মাঠসহ সকল প্রতিষ্ঠান হবে উন্নত ও আধুনিক। গরিব, দুঃখী, অসহায় মানুষের পাশে থেকে নিজের জীবন উৎসর্গ করতে চাই। প্রতিটি প্রতিষ্ঠান হবে গ্রহণযোগ্য, বিশ্বাসযোগ্য, নির্ভরযোগ্য, জবাবদিহিতামূলক, হয়রানিমুক্ত ও জনবান্ধব। সর্বস্তরের মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করাই আমার নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম অঙ্গীকার।”
পরিশেষে তিনি এলাকাবাসীর দোয়া, সমর্থন, সুচিন্তিত মতাতম, সুপরামর্শ ও সার্বিক সহযোগীতা কামনা করেন।