রৌমারীতে অবৈধ দোকনপাট সরাতে নোটিশ : রহস্যজনক কারনে জাকজমক স্থাপনা

Exif_JPEG_420

রৌমারী সংবাদদাতা
রৌমারী যাদুরচর ইউনিয়নের খেওয়ারচর হাট-বাজারে অবৈধভাবে উত্তোলনে দোকানপাট সরকারি ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের ভুমি ও ইমারাত (দখল পুনরুদ্ধার) অধ্যাদেশ ১৯৭০ এর ৫ (১) ৮ ধারা মোতাবেক অবৈধ দখলীয় ভুমি ও স্থাপনা সরিয়ে নিতে প্রায় ২ সপ্তাহ আগে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি) রাফিউর রহমান ১ দিনের সময় বেঁধে দিয়ে নোটিশ দেন। দোকানপাট না সরিয়ে উল্টো রহস্যজনক কারনে জাকজমক ভাবে দোকনপাট স্থাপনা। উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি) অফিসের বেঁধে দেয়া সেই ১ দিনের সময় যেন শেষই হচ্ছে না। আবার কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না কমিশনার। অদ্যবধি সেখানে ওই নোটিশ টাঙ্গানো রয়েছে।
অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যাদুরচর ইউনিয়নের খেওয়ারচর হাট-বাজার পেরিফেরি ভুক্ত প্রানকেন্দ্র জায়গায় স্থায়ী দোকানপাট গড়ে উঠেছিল। সেখানে প্রায় ২২ টি ঘর উচ্ছেদ করে সরকারি ভাবে একটি হাট সেট নির্মান করা হয়। হাটটির ভেতরে নতুন হাটসেটের পূর্ব উত্তর পাশে ও দক্ষিণপাশে ফাঁকা জায়গায় দোকানপাট নির্মান করা হচ্ছে। অবৈধভাবে দোকানপাট নির্মানে স্থানীয়ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সরবেশ আলীর নেতৃত্বে যাদুরচর ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান হালু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাচ্চু মিয়া ও চেয়ারম্যান সরবেশ আলীর ভগ্নীপতি সাবেক মেম্বার হায়দার আলীর প্রভাবে পাকা খুটি দিয়ে কাঠ-টিনের দোকান গুলো নির্মান করছেন।
উল্লেখ্য যে, খেওয়ারচর হাট-বাজারে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় বিএনপির প্রভাবে ২০ টি দোকানপাট নির্মান করা হচ্ছে। অবৈধভাবে দোকান নির্মানে সরিয়ে নিতে ১ দিনের সময় দিয়ে নোটিশ টানানো দেখা গেছে।
স্থানীয় নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক অনেক ব্যবসায়ী বলেন, হাট-বাজারের ভেতরে স্থানীয় বিএনপির প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গের নেতৃত্বে দোকানপাট গুলি নির্মান হচ্ছে। এদিকে এসিল্যান্ড দোকানপাট সরিয়ে নিতে ১ দিনের সময় দিয়ে নোটিশ টানানো হয়েছে। প্রায় ১৫ দিন হয়ে গেলো। রহস্যজনক কারনে ব্যবস্থা হচ্ছে না।
স্থানীয় ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম বলেন, হাট-বাজারে সরকারি নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে, বিএনপির ক্ষমতার দাপটে, তাদের মনগড়াভাবে দোকান নির্মান করে দিচ্ছে। এসিল্যান্ড স্যার অবৈধভাবে উত্তোলনকৃত দোকানপাট সরিয়ে নিতে ১ দিনের সময় দিয়ে নোটিশ দিলেও ২ সপ্তাহ পার হলেও কোন ব্যবস্থা নেয় নি।
যাদুরচর ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা রুহুল্লা বলেন, সরকারি ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের ভুমি ও ইমারাত (দখল পুনরুদ্ধার) অধ্যাদেশ ১৯৭০ এর ৫ (১) ৮ ধারা মোতাবেক অবৈধ দখলীয় ভুমি ও স্থাপনা ছেড়ে দেয়ার জন্য এসিল্যান্ড স্যারসহ গিয়ে ১ দিনের সময় দিয়ে নোটিশ টাঙ্গানো হয়েছে। যদি না ভাঙ্গে তা সরকারি ভাবে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উপজেলা সহকারি কমিশনার ভুমি রাফিউর রহমান বলেন, অবৈধ নির্মিত দোকানপাট সরিয়ে নিতে ১ দিনের সময় দিয়ে নোটিশ টানানো হয়েছে। যদি ভেঙ্গে না থাকে আবারও গিয়ে দোকানপাট ভেঙ্গে দেয়া হবে।