যতদিন বাঁচবো, বালিজুড়ী ইউনিয়ন বাসীর সুখে দুঃখে পাশে থাকবো ইনশাল্লাহ -মোঃ জিল্লুর রহমান

সেলিম মাহমুদ
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলাধীন ৪নং বালিজুড়ী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোষহীন, বঞ্চিত মানুষের বলিষ্ঠ কন্ঠস¦র, রাজপথের লড়াকু সৈনিক, জেড কলেজের সাবেক ভিপি ও মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মানবতাবাদী নেতা মোঃ জিল্লুর রহমান জনগনের ভোটে নির্বাচিত হয়ে বালিজুড়ী ইউনিয়নকে একটি যুগান্তকারী উন্নয়ন করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, আমি ভাবি ও স্বপ্ন দেখি, আমার এলাকার মানুষ জন হাসিখুশি থাকবে, সুখে শান্তিতে থাকবে, মানুষের জানমালের নিরাপত্তা থাকবে, সমাজে প্রতিষ্ঠিত হবে ন্যায় বিচার। কৃষকরা পাবে ফসলের ন্যায্য মূল্য, ব্যবসায়ীরা পাবে সিন্ডিকেট মুক্ত বাজার, শ্রমিক ও মেহনতি মানুষেরা পাবে যথাযথ সন্মান এবং নিতান্ত গরীব দূ:খী অসহায়, বৃদ্ধা, বিধবা প্রতিবন্ধী, স্বামী পরিত্যোক্তা নারী ও অসহায় পিতা মাতা পাবে আস্থার এক নতুন ঠিকানা। মাদক সন্ত্রাস চুরি ছিনতাই ডাকাতি খুন ধর্ষণ ও দুর্নীতি দমনে জিরো টলারেন্স নীতি প্রয়োগ করা হবে। সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হাট বাজার মসজিদ মন্দির ও রাস্তাঘাটের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হবে চোখে পড়ার মত। যতদিন বাঁচবো, বালিজুড়ী ইউনিয়ন বাসীর সুখে দুঃখে পাশে থাকবো ইনশাল্লাহ।
জিল্লুর রহমান সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে সূখনগরী গ্রামের বাসিন্দা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মুসলিম উদ্দিন বলেন – তিনি অত্যন্ত সৎ লোক। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি বিএনপির প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে ছিলেন। সাধারণ মানুষ তাকে খুব পছন্দ করে এবং ভালোবাসে। আশা করি তিনি মানুষের বিশ্বাস ও ভালোবাসার প্রতিদান দিবে ইনশাল্লাহ।
চর নাংলা গ্রামের গ্রামের অধিবাসী ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেন বলেন-জিল্লুর ভাই একজন উচ্চ শিক্ষিত (এম.এস.এস, এল.এল.বি) ও ভদ্র মানুষ। মানুষকে যথাসাধ্য আর্থিক সহযোগিতা, আইনগত সহযোগিতা, মানসিক সহযোগিতার পাশাপাশি মানুষের বিপদ আপদে ছুটে যান। তারতা পাড়া গ্রামের বাসিন্দা রকিবুল ইসলাম বলেন ব্যক্তি হিসেবে জিল্লুর ভাই একজন হাসিখুশি প্রাণবন্ত সদালাপী মানুষ। আমার বিশ্বাস, জনগন তাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবে।
অবকাঠামাগত উন্নয়ন ভাবনা সম্পর্কে জানতে চাইলে মোঃ জিল্লুর রহমান বলেন-
এম পি মহোদয়ের পরামর্শক্রমে ও সহযোগিতায় সুখনগরী থেকে নাংলা বাঁধের মাথা পর্যন্ত এবং মির্জাপুর থেকে নাদা গাড়ী পর্যন্ত, পশ্চিম সুখনগরী থেকে নাংলা বাঁধের মাথা পর্যন্ত রাস্তা ও ব্রীজ নির্মাণ করতে আমার সাধ্যমত চেষ্টা করবো ইনশাল্লাহ। তাছাড়া সুখনগরী বাজার, মির্জাপুর বাজার, তারতা পাড়া বড় বাজার, তারতা পাড়া সকাল বাজার ও নাংলা বটতলা বাজারে সরকারি অনুদানে অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং পাবলিক টয়লেট ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা থাকবে।
সুখ নগরী দ্বীপচরে কারিগরী স্কুল এন্ড কলেজ, চর শুভগাছা ইবতেদায়ী স্বাতন্ত্রিক মাদরাসা, নারী শিক্ষার উন্নয়নে নাংলা বাঁধের মাথায় একটি গার্লস্ হাইস্কুল, কামারিয়া চরে একটি প্রি-ভোকেশনাল স্কুল এবং বালিজুড়ী ইউনিয়ন পরিষদ ভবন সংলগ্ন একটি যুব প্রশিক্ষন কেন্দ্র স্থাপন করার জন্য সংগ্রাম করে যাবো আজীবন। সর্বোপরি, আমি আমার ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিয়ে বালিজুড়ী ইউনিয়নকে ঢেলে সাজাতে চাই।