ঘোষেরপাড়া ইউনিয়নবাসীর মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি জনবান্ধব, নিরাপদ ও আধুনিক ইউনিয়ন গড়ে তোলাই আমার দৃঢ় অঙ্গীকার -মোঃ মিজানুর রহমান মজনু

সেলিম মাহমু
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলাধীন ঘোষেরপাড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মেলান্দহ উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির বিপ্লবী ও সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক, জনবান্ধব জননেতা মোঃ মিজানুর রহমান মজনু জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে অত্র ইউনিয়নকে একটি মাদকমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত, হাসিখুশি, সুখী, সমৃদ্ধ, শান্তিময়, নিরাপদ ও মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান।
খবর নিয়ে জানা যায়, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ, জামালপুরে অধ্যয়নকালীন তিনি ছাত্রদলে প্রবেশ করেছিলেন, পরবর্তীতে তিনি ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি নির্বাচিত হন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোষহীন, বঞ্চিত ও শোষিত মানুষের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর, রাজপথের এই লড়াকু সৈনিক এরশাদ বিরোধী আন্দোলনসহ বিএনপির প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছেন। অনেক ত্যাগ, সংগ্রাম, জেল, জুলুম, হামলা, মামলা, নির্যাতন সহ্য করেও শহীদ জিয়ার আদর্শ থেকে বিন্দুমাত্র টলেননি। বিভিন্ন সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কাজে অংশগ্রহণ করেছেন নিঃস্বার্থভাবে। মাদকবিরোধী কার্যক্রম, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, যৌতুক, ধর্ষণ, হত্যা, রাহাজানি, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে তিনি বিভিন্ন জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছেন। বৃক্ষরোপণ অভিযান, ফ্রি মেডিকেল হেলথ ক্যাম্প, শীতবস্ত্র বিতরণ, ঈদ সামগ্রী, ক্রীড়া সামগ্রী, বন্যার্তদের ত্রাণ, কন্যাদানে সহযোগিতা, ফরম ফিলাপে সহযোগিতা, চিকিৎসা সহযোগিতা, আইনগত সহযোগিতা এমনকি করোনাকালীন দুর্যোগ সময়ে মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, নগদ অর্থ যোগান ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করে মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
তার সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে খায়েরপাড়া গ্রামের অধিবাসী, মেলান্দহ উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সফল সভাপতি এবং অত্র ইউনিয়ন বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক মোঃ ফরহাদ হোসেন বলেন, “মজনু ভাই একজন যোগ্য, সৎ, আদর্শবান ও জনবান্ধব নেতা। সাধারণ মানুষের সাথে রয়েছে তার নিবিড় সম্পর্ক। তার আচার-আচরণ অত্যন্ত সন্তোষজনক। দলের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে, মিটিং-মিছিলে তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন। বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ এলাকার সর্বস্তরের মানুষের কাছে তিনি অত্যন্ত প্রিয় ও আস্থাভাজন ব্যক্তিত্ব। আমার বিশ্বাস, এলাকার জনগণ তাকে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করবে, ইনশাআল্লাহ।”
চর সগুনা গ্রামের অধিবাসী, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও ইউনিয়ন বিএনপির সহ-ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মোঃ রঞ্জু মিয়া বলেন, “মজনু ভাই এমপি মহোদয়ের খুবই স্নেহভাজন ও আস্থাভাজন ব্যক্তি। তিনি নির্বাচিত হলে এমপি মহোদয়ের পরামর্শ ও সহযোগিতায় অত্র ইউনিয়নে যুগান্তকারী উন্নয়ন করতে পারবেন বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।”
নাগেরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা, ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি ও ইউনিয়ন বিএনপির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ হাছেন আলী বলেন, “আমরা এমন একজন নেতা খুঁজছি যিনি সৎ, যোগ্য, গ্রহণযোগ্য ও সামাজিক মানুষ। আমার দেখামতে, মজনু ভাই সবার চেয়ে একধাপ এগিয়ে রয়েছেন। তিনি চেয়ারম্যান হলে জনগণ পাবে আস্থার এক নতুন ঠিকানা এবং ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন হবে একটি মডেল ইউনিয়ন।”
মোঃ মিজানুর রহমান মজনু বলেন, “মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন, সরকারি অনুদানের সুষ্ঠু বিতরণ, সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, শিক্ষার মানোন্নয়ন, বাজার সিন্ডিকেট দূরীকরণ, এলাকার রাস্তাঘাট ও হাট-বাজারের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হবে দৃষ্টান্তমূলক। প্রতিটি প্রতিষ্ঠান হবে জবাবদিহিমূলক, হয়রানিমুক্ত, নির্ভরযোগ্য, বিশ^াসযোগ্য, গ্রহণযোগ্য ও জনবান্ধব। মানুষের জান-মালের নিরাপত্তার পাশাপাশি একটি হাসি-খুশি, সুখি সমৃদ্ধ সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলাই আমার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। ঘোষেরপাড়া ইউনিয়নে গণমানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করাই আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।”
পরিশেষে তিনি সুধী সমাজের সুচিন্তিত মতামত সু-পরামর্শ, সার্বিক সহযোগীতা এবং এলাকাবাসীর দোয়া ও সমর্থন চান।