ঝিনাইগাতী সংবাদদাতা
আসছে বর্ষা মৌসুম এ সময় শেরপুরের ঝিনাইগাতী সর্বোচ্চ রাজস্ব্য আয়ের বাজারটিতে নানা সমস্যা অল্প বৃষ্টিতেই জমে থাকে হাটু পানি। অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা থাকায় এ সময়ে বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতাদের অসহনীয় দূর্ভোগের শিকার হতে হয়। এমন পরিস্থিতি দেখে মনে হয়, উক্ত বাজারটির এ বেহাল দশা, দেখার যেন কেউ নেই! বিশাল রাজস্ব্য আয়ের এ বাজারটির এহেন দূরবস্থার বিষয় গুলো ভূক্ত-ভোগী ব্যক্তিরা উপজেলার কর্তা ব্যাক্তি বা জনপ্রতিনিধিদের বার বার অবহিত করা সত্বেও কোন অগ্রগতি হয়নি। উল্লেখ্য, এ বাজার থেকে রাজস্ব ফি বছরে প্রায় কোটি টাকার উর্ধ্বে রাজস্ব্য আয় আসে। অথচ বাজার উন্নয়নে তেমন কোন পদক্ষেপ নেই। প্রকাশ থাকে যে, সরকারী নিয়ম অনুযায়ী বাজারের ডাককৃত অর্থের সিংহভাগ টাকা বাজার উন্নয়ন খাতে ব্যয় করার নিয়ম থাকলেও তা এ ক্ষেত্রে মানা হচ্ছে না। বর্তমানে ঝিনাইগাতী বাজার ও পার্শ্ববর্তী এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতায় পানি বাহিত রোগ সহ নানান রোগে আক্রান্ত হয়ে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে জনসাধারণ। এ ছাড়াও এ বিশাল বাজারটিতে দূর-দুরান্ত থেকে আগত হাজার হাজার ক্রেতা-বিক্রেতাদের পানীয় জলের কোন ব্যবস্থা নেই এমনকি পাবলিক টয়লেটের ব্যবস্থাও না থাকার সামিল। এ সমস্ত সমস্যা দীর্ঘদিন থেকে বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতারা ভোগ করে আসছে। অন্যদিকে চালহাটি ও আবাসিক এলাকার বসত বাড়ির সিমানার সাথে অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যববস্থা ও উপরের স্লাপ না দেওয়ার কারণে দুর্গন্ধ সৃষ্ঠি হয়ে ময়লা আবর্জনা আটকে পড়ে পানি নিস্কাশন বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে ওই এলাকার এ নোংরা পরিবেশের কারনে নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েছে অনেকেই। যার জন্যে এলাকায় মানুষের চলাফেরা হ্রাস পেয়েছে। এ দূর্গন্ধ পরিবেশে মধ্যে টিকে থাকতে না পেরে এলাকায় ব্যবসা বাণিজ্য গুটিয়ে নিয়েছে অনেকেই। বাজারের গো বাজার, মাছ হাটি,মসজিদ রোড ধানহাটিতে সামান্য বৃষ্টিপাত হলেই জনদূর্ভোগের সৃষ্টি হয়ে যায় । এ সংক্রান্ত বিষয়ে লিখিত ভাবে অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পাইনি ভূক্ত ভোগীরা। এ ব্যাপারে সচেতন মহল আবাসিক এলাকার ড্রেনের ময়লা পরিস্কার করে পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা গ্রহণ ও বাজারের সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ঠদের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন।
ঝিনাইগাতী বাজারে নানা সমস্যা অল্প বৃষ্টিতেই হাটু পানি
