নিজস্ব সংবাদদাতা
অপুষ্টির কবল থেকে প্রজন্মকে রক্ষা এবং পুষ্টি উন্নয়নের মাধ্যমে সুস্থ ও মেধাপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলার লক্ষে জামালপুরে ক্লাইমেট নিউট্রিশন এন্ড সলিউশান থ্রো এ্যাডভেকেসী (সিএনএসএ) ইন মাদারগঞ্জ, বাংলাদেশ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। চলতি বছরের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া প্রকল্পটির উপর কর্মীদের ধারণা এবং মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম শুরু করার পূর্বে বুধবার দিনব্যপী এক ওরিয়েন্টেশনের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উন্নয়ন সংঘের নির্বাহী পরিচালক ফাহাদ ইবনে হুদা। উন্নয়ন সংঘের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ডিটিআরসিতে অনুষ্ঠিত ওরিয়েন্টেশনে আলোচনায় অংশ নেন সংস্থার মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম, পরিচালক কর্মসূচি মুর্শেদ ইকবাল, ব্যবস্থাপক লিটন সরকার প্রমুখ। সি এস এ- সান, এফ এইচ আই- ৩৬০ ও জি আই জেড এর আর্থিক ও কারিগরী সহযোগিতায় ছয় মাসব্যপী প্রকল্পটি মাদারগঞ্জে বাস্তবায়ন কাজ শুরু করেছে উন্নয়ন সংঘ। প্রকল্পের উদ্দেশ্য বর্ণনা করতে গিয়ে উন্নয়ন সংঘের নির্বাহী পরিচালক ফাহাদ মাহমুদ বলেন একটি সমন্বিত ও কমিউনিটিনির্ভর মডেল বাস্তবায়ন করা, যেখানে জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর কৌশলের সঙ্গে পুষ্টি নিরাপত্তাকে সমন্বিত করা হবে। প্রকল্প সূত্রে জানা যায় প্রস্তাবিত কার্যপরিকল্পনায় জলবায়ু-স্মার্ট কৃষি, নারী নেতৃত্বাধীন ক্ষুদ্র উদ্যোগ, স্কুলভিত্তিক পুষ্টি ক্লাব এবং কমিউনিটি ইনোভেশন প্ল্যাটফর্ম-কে সমন্বিত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে জনগোষ্ঠীর জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি, নারী-পুরুষের সমতা নিশ্চিত করা এবং স্থানীয় জনগণের নিজস্ব সমাধান গ্রহণ ও বাস্তবায়নের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে। এই সমন্বিত পদ্ধতির মাধ্যমে প্রকল্পটি নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অর্জনের লক্ষ্য রাখে: জলবায়ুর সঙ্গে অভিযোজনযোগ্য জ্ঞান ও প্রযুক্তিতে জনগণের প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি করা; নারীদের অর্থনৈতিকভাবে ক্ষমতায়িত করা এবং আয়মূলক কর্মকাণ্ডে তাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা হবে। যুবদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা; জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সহনশীলতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা; পুষ্টি-সংবেদনশীল ও জলবায়ু-সহনশীল উন্নয়নের জন্য কার্যকর ও সম্প্রসারণযোগ্য মডেল তৈরি করা; এবং বাংলাদেশের অনুরূপ জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সফল মডেলগুলো পুনরায় বাস্তবায়ন ও বৃহত্তর পরিসরে সম্প্রসারণের সুযোগ সৃষ্টি করা।
জামালপুরে উন্নয়ন সংঘের সিএনএসএ প্রকল্প বিষয়ক ধারণা উপস্থাপন
