“শহীদ জিয়া আমার আদর্শ, তারেক রহমান আমার রাজনীতির অনুপ্রেরণা, এলাকার জনগণই আমার শক্তি” মোঃ আকরাম হোসেন

সেলিম মাহমুদ
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জামালপুর সদর উপজেলার বাঁশচড়া ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, জামালপুর জেলা বিএনপির সাবেক নির্বাহী সদস্য ও জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এবং বাঁশচড়া ইউনিয়ন বিএনপির বিপ্লবী ও সংগ্রামী সভাপতি মোঃ আকরাম হোসেন জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে বাঁশচড়া ইউনিয়নকে মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত, নিরাপদ, জনবান্ধব ও মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। ইতোমধ্যে তিনি মাওলানা ভাসানী লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড ২০২৪, শেরেবাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড ২০২৫, সাউথ এশিয়ান এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৫ এবং সাউথ এশিয়ান লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড ২০২৫ খেতাবপ্রাপ্ত হয়েছেন।
সুন্দর মন-মানসিকতা, সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, সাংগঠনিক দক্ষতা ও মানবিকতার কারণে তিনি জনমনে আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করেছেন। সরেজমিনে তার ইউনিয়নে গিয়ে পর্যবেক্ষণ করতে গেলে শত শত লোক তার ব্যাপারে কথা বলার জন্য এগিয়ে আসেন।
৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ আব্দুল মান্নান বলেন, “আকরাম ভাই এলাকার কৃতি ও মেধাবী সন্তান, ন্যায়বিচারক, ধৈর্যশীল, আস্থাভাজন ও প্রিয় ব্যক্তিত্ব।”
৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি মোঃ লাল মিয়া বলেন, “তার আচার-আচরণ খুবই ভালো ও সন্তোষজনক। যোগ্যতার বিচারে তিনি অন্যান্য প্রার্থীদের তুলনায় একধাপ এগিয়ে রয়েছেন।”
৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুর রহমান বলেন, “আকরাম ভাই চেয়ারম্যান হলে অত্র ইউনিয়নের সকল কার্যক্রম হবে দুর্নীতিমুক্ত, হয়রানিমুক্ত, জবাবদিহিমূলক, বিশ্বাসযোগ্য, গ্রহণযোগ্য ও জনবান্ধব।”
৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম রঞ্জু বলেন, “২৫ বছর যাবত আমরা তার সাথে রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে অংশগ্রহণ করে আসছি। তার সাংগঠনিক দক্ষতা অত্যন্ত প্রকল।”
৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইউসুফ আলী বলেন, “তিনি একজন সৎ, যোগ্য, আদর্শবান, নির্লোভ, নিরহংকারী ও নিঃস্বার্থবান নেতা।”
৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহিম মাস্টার বলেন, “তিনি একজন সাদা মনের মানুষ, এলাকার সর্বস্তরের মানুষের সাথে রয়েছে তার নিবিড় সম্পর্ক। ছাত্রজীবন থেকে উঠে আসা তিনি একজন সফল ও সার্থক রাজনীতিবিদ।”
৬ নং ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সোহাগ আলী বলেন, ‘তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে জনগণ পাবে আস্থার এক নতুন ঠিকানা। কোনো স্বজনপ্রীতি থাকবে না, দরিদ্র, অসহায় ও বঞ্চিত মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে বলে আমার বিশ্বাস।”
৬ নং ওয়ার্ড শ্রমিক দল নেতা ফারুক আহমেদ বলেন, “আকরাম ভাই চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হলে এলাকা হবে চাঁদামুক্ত। পরিষদের সকল বরাদ্দের সুষ্ঠু ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে সমবণ্টন হবে।”
রাস্তার একজন পথিক বিদ্যুৎ বলেন, “তিনি ব্যক্তি হিসেবে সৎ বলেই জনগণ তাকে এত বেশি ভালোবাসে ও বিশ্বাস করে। আমার বিশ্বাস, এলাকার মানুষ তাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবে, ইনশাআল্লাহ।”
বাঁশচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, “আকরাম ভাই বিপদে-আপদে মানুষের পাশে থাকেন। তিনি নির্বাচিত হলে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হবে ন্যায়বিচার। প্রতিটি সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান হবে দুর্নীতিমুক্ত; মসজিদ, মন্দির, এতিমখানা, গোরস্থান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হবে উন্নত ও আধুনিক।”
উপস্থিত জনসাধারণের মধ্যে একজন ছাত্রনেতা, ঝাউলা গোপালপুর ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নিশাত আলম বলেন, ‘আমাদেরকে তিনি প্রতিটি প্রোগ্রামে সার্বিক সহযোগিতা, উৎসাহ ও উদ্দীপনা দিয়ে থাকেন। ২০২৪ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তিনি আমাদের পাশে ছিলেন। এছাড়া খেলাধুলায় উদ্যোগ গ্রহণের পাশাপাশি পড়ালেখার ব্যাপারে জোর তাগিদ দেন, যেন আমরা বড় হয়ে মানুষের মতো মানুষ হয়ে দেশসেবায় অংশগ্রহণ করতে পারি।”
ঝিগাতলা গ্রামের কৃষক মোহাম্মদ হোসেন আলী, হাফিজুর রহমান, রাজমিস্ত্রি ইকবাল সহ বৈঠামারী গ্রামের কাপড় ব্যবসায়ী কামাল হোসেন সহ উপস্থিত সকল জনতা একসাথে সমস্বরে দৃঢ়কণ্ঠে উচ্চারণ করেন, “আকরাম হোসেনকে আমরা বিজয়ী করার দীপ্ত শপথ গ্রহণ করছি।” পরিশেষে আকরাম হোসেন বলেন, “যতদিন বাঁচব, জনগণের সেবা করে বাঁচতে চাই। মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত সুখী-সমৃদ্ধ সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলাই আমার লক্ষ্য। এলাকার প্রতিটি প্রতিষ্ঠান হবে উন্নত ও আধুনিক। একটি মডেল ইউনিয়ন গঠন করে জামালপুর জেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান হয়ে পদক জিততে চাই এবং সকলের দোয়া, সহযোগিতা, সমর্থন ও পরামর্শ চাই।”