শাহবাজপুর ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, যুগোপযোগী, নিরাপদ ও জনবান্ধব ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই আমার দৃঢ় অঙ্গীকার -মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম আকন্দ (সুমন)

সেলিম মাহমুদ
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জামালপুর সদর উপজেলার ১১ নং শাহবাজপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, জামালপুর জেলা বিএনপির সাবেক কোষাধ্যক্ষ এবং সৌদি আরব পূর্বাঞ্চলীয় বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, রাজপথের লড়াকু সৈনিক, অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোষহীন, বঞ্চিত ও শোষিত মানুষের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর মোঃ রফিকুল ইসলাম আকন্দ সুমন জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়ে শাহবাজপুর ইউনিয়নকে একটি মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত, জনবান্ধব, নিরাপদ ও মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তার ইউনিয়নে সরেজমিনে গিয়ে সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, জনকল্যাণমূলক যেকোনো কাজে সুমনের অগ্রণী ভূমিকা রয়েছে। এছাড়া সমাজের মানুষের বিপদে-আপদে তিনি ছুটে যান। অর্থনৈতিক সহযোগিতা, মানসিক সহযোগিতা, আইনগত সহযোগিতা এবং সৎ পরামর্শদাতা হিসেবে তার খ্যাতি রয়েছে। সাধ্যানুযায়ী তিনি বিভিন্ন সময়ে দুস্থ, অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন বলে জানা যায়। এছাড়াও বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, গোরস্থানসহ সমাজ উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কাজে তিনি আর্থিক সহযোগিতা করে মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, তার বড় ভাই এলজিইআরডি এর অবসরপ্রাপ্ত এডিশনাল চিফ ইঞ্জিনিয়ার মোঃ শফিকুল ইসলাম আকন্দ (ফারুক) শাহবাজপুর ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে অধিকাংশ রাস্তাঘাট, হাট-বাজার, মসজিদ, মন্দির, মাদ্রাসা, এতিমখানা, গোরস্থান এমনকি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নে যুগান্তকারী ভূমিকা রেখেছেন।
২০২১ সালে রফিকুল ইসলাম আকন্দ সুমনকে এলাকার জনগণ বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করলেও তৎকালীন আওয়ামী কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্রে তাকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়নি। এলাকার মানুষের বিশ্বাস, ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ পেলে এবারের নির্বাচনে জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে তার সঠিক মূল্যায়ন করবে এবং সুমন সাহেবকে বিজয়ের মালা দিয়ে বরণ করবে, ইনশা-আল্লাহ।
তিনি কৈডোলা শাহবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতির দায়িত্ব অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি আওলাই শাহবাজপুর দাখিল মাদ্রাসার নির্বাচিত সভাপতি, পশ্চিমপাড়া ভেড়ারপাড় জামে মসজিদের সাধারণ সম্পাদক এবং পক্ষীমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে শিক্ষা ও গণমানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অসাধারণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।
শাহবাজপুর ইউনিয়নবাসী ও এর অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ সার্বিক উন্নয়নে তার ভাবনা ও পরিকল্পনা সমূহ জানতে চাইলে তিনি বলেন, “জনগণ যদি আমাকে চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করে তাদের সেবা করার সুযোগ দেয়, তবে বাঁশচড়া-গণেশপুর সংযোগ রাস্তাটি পাকাকরণ এবং শাউনিয়া-বাঁশচড়া-বয়লার মোড় হয়ে জিগাতলা ও পলাশতলা সংযোগ সড়কটি নির্মাণসহ এলাকার প্রতিটি রাস্তা উন্নত, আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে আমি বদ্ধপরিকর।”
“এছাড়া শাহবাজপুর বাজার, বেয়ারা বাজার, কৈডোলা বাজারসহ বিভিন্ন জনবহুল স্থানে পাবলিক টয়লেট ও সাবমার্সিবল বসিয়ে বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করতে চাই। মাদক, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, বাল্যবিবাহ, চাঁদাবাজি, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।”
“এছাড়াও গ্রাম আদালতকে শক্তিশালী করে সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদের সকল সুযোগ-সুবিধা হতদরিদ্রদের মাঝে সুষ্ঠু বণ্টন করে দুস্থ ও দারিদ্রমুক্ত হাসি-খুশি, সুখী-সমৃদ্ধ সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলাই আমার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদসহ বিভিন্ন স্কুল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং সকল প্রতিষ্ঠান হবে হয়রানিমুক্ত, বিশ্বাসযোগ্য, গ্রহণযোগ্য, নির্ভরযোগ্য ও জনবান্ধব।” -তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
একই সাথে তিনি শহীদ জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। তিনি এলাকার নেতৃস্থানীয় ও সুশীল ব্যক্তিদের সুপরামর্শ, সুচিন্তিত মতামত ও সার্বিক সহযোগিতা এবং সর্বস্তরের মানুষের কাছে দোয়া ও সমর্থন প্রার্থনা করেন।