অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সরিষাবাড়ীতে দু পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৭

সরিষাবাড়ী সংবাদদাতা
যমুনা নদীর পিংনা এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় গত শনিবার রাত ৯ টায় কাওয়ামারা বটতলা এলাকায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে উভয় পক্ষের সাত জন গুরুতর আহত হয়েছে।
এলাকাবাসী ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পিংনা ইউনিয়নের পশ্চিম পাশ দিয়ে প্রবাহিত যমুনা নদী থেকে দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র দলীয় নাম ভাঙ্গিয়ে অবৈধভাবে বাল্কহেড দিয়ে ভালো উত্তোলন করে আসছিল। সম্প্রতি একটি বাল্কহেড আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে ও অবৈধ বালুর ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে নিতে গত শনিবার রাতে কাওয়ামারা বটতলা এলাকায় সুবাস গ্রুপ ও মাসুদ গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে। লাঠিসোটা ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে উভয় পক্ষের সাতজন গুরুতর আহত হয়েছে। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত কাওয়ামারা গ্রামের বাবু মিয়া (৩৫), চান মিয়া (৬০), মাসুদ মিয়া (৫৮) ও নলসন্ধ্যা গ্রামের আনিসুর রহমানকে (৪০) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করা হয়। বাকিদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। অবস্থার অবনতি হলে চান মিয়া, মাসুদ মিয়া ও আনিসুর রহমানকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সুবাস ওরফে হুন্ডু বলেন, আমার লোকজন কোন নৌকা আগুনে পুড়ে দেয়নি ও কাউকে মারধর করেনি। অপরপক্ষ মাসুদ মিয়া বলেন, আমাকে সহ আমাদের ৪/৫ জনকে সুবাসের লোকজন কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে সরিষাবাড়ীর দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত সাত। পিংনা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নাজমুল হাসান লাজু বলেন, পিংনা বাসী এখন সুভাষ আতঙ্কে রয়েছে। সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ইকবাল হোসেন বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।